1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলের কালিয়ায় ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কালিয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বর্ষ উদযাপন যশোরে অনলাইন বেটিংয়ে জড়িত ৮ জন গ্রেপ্তার মাস্টার প্যারেডে জেলা পুলিশের প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার খুলনায় আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিয়ে আইনমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা পহরডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান কাবুল বিশ্বাস হারানো সরকারি অস্ত্রের খোঁজে র‍্যাব, তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার নড়াইলের চরেরঘাটে ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ জন গ্রেপ্তার শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫ ‘ক্রসফায়ার’ নয়, আইনের পথেই সন্ত্রাস দমন: আইনমন্ত্রী

ডিএনসি করেও গর্ভে মৃত ভ্রূণের অংশ রয়ে যাওয়ায় গর্ভবতী নারী সংকটাপন্ন, ক্ষতিপূরণ পেলেন ভুক্তভোগীর পরিবার

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৪ জুন, ২০২৫
  • ১৫৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক 

খুলনা নগরীর বয়রা নার্সিংহোম অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। ডাক্তার নাসরিন আখতার স্বপ্নার চিকিৎসায় ডিএনসি (D&C – Dilation and Curettage) করানো সত্ত্বেও গর্ভে মৃত ভ্রূণের অংশ থেকে যাওয়ায় ফারজানা আক্তার মিম নামে এক গর্ভবতী নারী গুরুতর শারীরিক জটিলতায় ভুগেছেন বলে অভিযোগ করেছেন তার পরিবার।

ভুক্তভোগীর পিতা মো. বেলাল হোসেন জানান, গত ২৯ মে মেয়ে মিমকে নিয়ে তিনি বয়রা নার্সিংহোমে যান। ডাক্তার স্বপ্না বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানান, গর্ভে থাকা ভ্রূণ মারা গেছে এবং জরুরি ভিত্তিতে ডিএনসি না করলে মিমের প্রাণহানির ঝুঁকি রয়েছে। পরিবারের সম্মতিতে অপারেশন সম্পন্ন হলে মিমকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।

তবে বাড়ি ফেরার দুই দিন পর থেকেই মিমের প্রচণ্ড পেট ব্যথা ও রক্তক্ষরণ শুরু হয়। মোবাইলে বিষয়টি জানালে ডাক্তার স্বপ্না ওষুধ খাওয়ার পরামর্শ দেন, কিন্তু এতে অবস্থার উন্নতি না হলে মিমকে নড়াইল সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করে চিকিৎসকরা জানান, গর্ভে মৃত ভ্রূণের এক-তৃতীয়াংশ (one-third) রয়ে গেছে। পরে পুনরায় ডিএনসি করাতে হয়। বর্তমানে মিম নড়াইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাড়িতে অবস্থান করছেন।

এই ঘটনার পর আজ মঙ্গলবার মিমের পিতা বেলাল হোসেন ডাক্তার স্বপ্নার সঙ্গে বয়রা নার্সিংহোমে সরাসরি দেখা করেন এবং বিষয়টি তুলে ধরেন। বেলাল হোসেন অভিযোগ করেন, ডিএনসির পর ভ্রূণের অংশ গর্ভে রয়ে যাওয়া স্পষ্টতই চিকিৎসাগত ত্রুটি।

ডাক্তার স্বপ্না এ বিষয়ে বলেন, “ডিএনসি পদ্ধতিতে অনেক সময় অনুমানের ভিত্তিতে কাজ করতে হয়। সবক্ষেত্রে নিখুঁত নিশ্চিতকরণ সম্ভব হয় না।”

পরবর্তীতে অভিযোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ভুক্তভোগীর পিতা বেলাল হোসেনকে ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫ হাজার টাকা প্রদান করেন ডাক্তার স্বপ্না। এ সময় নার্সিংহোমের কিছু স্টাফ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park