
মো: আজিজুর বিশ্বাস,স্টাফ রিপোর্টার।
নড়াইলের লোহাগড়া সরকারি আর্দশ কলেজে বাউবির কেন্দ্রে এইচ এসসি পরীক্ষায় একজনের পরীক্ষা অন্যজনে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
গত ১১/ জুলাই শুক্রবার লোহাগড়া সরকারি আর্দশ কলেজে বাউবি কেন্দ্র এঘটনা ঘটেছে। সুত্রে জানা গেছে ওই দিন আহাদুজ্জামান নামে এক পরীক্ষার্থীর পরিবর্তে অন্য একজন পরীক্ষা দেন। পরীক্ষার কুড়ি মিনিট পার হওয়ার পর কর্তব্যরত শিক্ষক পীযুষ কান্তি রায় ওই পরীক্ষার্থীকে সনাক্ত করেন,এবং তিনি দেখতে পারে ওই পরীক্ষার্থী আহাদুজ্জামান ছিলেন না। তখন তিনি বিষয়টি কতৃপক্ষকে অবহিত না করে খাতা রেখে তাকে ছেড়ে দেন। এঘটনায় ধামা চাপা দেওয়ার জন্য বাউবির কতৃপক্ষ কাউকে জানান নাই তিনি।
তবে সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে তিনটি রোল নং ১ হলো ২৪০১১৪৫০২২, এবং ২৪০১১৪৫০২৩,ও ২৪০১১৪৫০২৪, এর মধ্যে আজাদুজ্জামান সহ আরো দুইজন রয়েছে। এই ঘটনার ৫ দিনপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু রিয়াদ বিষয়টি অবগত হন। তারপর ঘটনা সাংবাদিকরা জানতে পেরে ওই কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ রেহবার দারাজ এর সাথে কথা বল্লে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।
অন্যদিকে পরীক্ষার কেন্দ্র কমিটির শিক্ষক বাবু বিশ্বদেব,কেন্দ্রে কর্মরত শিক্ষক পিযুষ কান্তি রায় ঘটনার সত্যতা অকপটে স্বীকার করে বিভিন্ন রকম তালবানা করে সময় ক্ষেপন করেন। সাংবাদিকরা ওই পরীক্ষার্থীর নাম ও রেজিষ্ট্রেশন নং চাইলে তারা তা দেন নাই। অপরদিকে ওই কলেজের শিক্ষক বাউবি পরীক্ষা কমিটির আহব্বায়ক মোঃ খায়রুজ্জামান ঘটনার সত্যতা শিকার করেছেন। বাউবির নড়াইল জেলার উপ- পরিচালক মোঃ মতিয়ার রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন সকল প্রকার কাগজ কেন্দ্রে জমা আছে। আপনারা সরাসরি আমার সাথে দেখা করেন।
এবিষয়ে লোহাগড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু রিয়াদের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন আমি যে প্রতিনিধি নিয়োগ করে ছিলাম তিনি ৫ দিন পরে আমাকে ওই তথ্য দিয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখবো। এ বিষয়ে জানাজানি হয়ে গেলে সচেতন মহলে চলছে আলোচনা সমালোচনার ঝড়।