1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলের কালিয়ায় ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কালিয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বর্ষ উদযাপন যশোরে অনলাইন বেটিংয়ে জড়িত ৮ জন গ্রেপ্তার মাস্টার প্যারেডে জেলা পুলিশের প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার খুলনায় আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিয়ে আইনমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা পহরডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান কাবুল বিশ্বাস হারানো সরকারি অস্ত্রের খোঁজে র‍্যাব, তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার নড়াইলের চরেরঘাটে ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ জন গ্রেপ্তার শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫ ‘ক্রসফায়ার’ নয়, আইনের পথেই সন্ত্রাস দমন: আইনমন্ত্রী

বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি পদ্ধতি (ADR): একটি মানবাধিকারভিত্তিক শান্তিপূর্ণ সমাধান প্রক্রিয়া

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫
  • ১২১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি পদ্ধতি (ADR): একটি মানবাধিকারভিত্তিক শান্তিপূর্ণ সমাধান প্রক্রিয়া

ADR (Alternative Dispute Resolution) অর্থাৎ বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি পদ্ধতি এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে গ্রাম্য আদালত, সালিশ ব্যবস্থা ও মানবাধিকার বিষয়ক বিরোধসমূহ শান্তিপূর্ণভাবে মীমাংসা করা সম্ভব। এটি আইনের একটি কার্যকর ও সমাজবান্ধব রূপ, যার মূল লক্ষ্য হলো বিরোধ নিষ্পত্তিকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও দ্রুততর করা।

ADR এর বৈশিষ্ট্য ও সুবিধাসমূহ:

১. সহজ, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নিষ্পত্তি: পক্ষগণ সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে সম্মতিতে পৌঁছাতে পারে।

২. সময়, শ্রম ও অর্থ সাশ্রয়ী: আদালতের দীর্ঘ প্রক্রিয়ার বদলে তুলনামূলকভাবে কম সময়ে সমাধান পাওয়া যায়।

৩. উভয় পক্ষের সরাসরি মত প্রকাশের সুযোগ: এতে ভুল বোঝাবুঝি কমে এবং সম্মতির ভিত্তিতে সমাধান সহজ হয়।

৪. দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হয় না: দ্রুত নিষ্পত্তির ফলে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা সহজ হয়।

৫. আইনজীবীর প্রয়োজন নেই: সাধারণ মানুষ নিজেরাই সালিশ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারেন।

৬. সালিশি বোর্ডে নিরপেক্ষতা: উভয় পক্ষ নিজ নিজ পক্ষ থেকে একজন করে প্রতিনিধি এবং একটি নিরপেক্ষ সালিশ নিয়োগের মাধ্যমে সমাধান নিশ্চিত করা যায়।

৭. চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হলে আদালতের সহায়তা: যে বিরোধগুলোর মীমাংসা সম্ভব না, সেগুলোর জন্য বিচারিক আদালতের দ্বার খোলা থাকে।

৮. লিখিত আপোষনামা: নিষ্পত্তির পর উভয় পক্ষ ও সালিশদের স্বাক্ষরযুক্ত নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে রেকর্ড সংরক্ষণ করা হয়, যা আইনি দলিল হিসেবে গৃহীত হয়।

৯. মানবাধিকার সংরক্ষণের মাধ্যম: এই পদ্ধতি মানবাধিকারের সুরক্ষা, সামাজিক স্থিতি এবং ন্যায্যতার ভিত্তিতে বিরোধ সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

১০. সমাজে শান্তি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক: ADR এর মাধ্যমে মীমাংসিত বিরোধ সমাজে ন্যায়বিচার ও সহাবস্থানের পরিবেশ তৈরি করে।

ADR কে শুধু একটি আইনি প্রক্রিয়া নয়, বরং একটি মানবাধিকার ভিত্তিক সামাজিক আন্দোলন হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে এই পদ্ধতি এখন আরও সক্রিয়ভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও পারিবারিক, সামাজিক, সাম্প্রদায়িক বিরোধসমূহ শান্তিপূর্ণভাবে নিষ্পত্তির একটি কার্যকর উপায় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park