
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি।
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার কর্শাকড়িয়াইল ইউনিয়নের মনকর্শা গ্রামে অনুমোদন ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে চলছে তাবারক হোসেনের মালিকানাধীন “বিসমিল্লাহ ফুড এন্ড বেকারী”। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে প্রতিদিন তৈরি হচ্ছে নানা ধরনের খাদ্যপণ্য—কেক, বিস্কুট, রসগোল্লা, বাটারবনসহ আরও অনেক কিছু। অবৈধভাবে দুটি বেকারী চালিয়ে লাখ লাখ টাকা আয় করলেও এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়নি ভোক্তা অধিদপ্তর কিংবা খাদ্য অধিদপ্তর।
তদন্তে জানা যায়, বিসমিল্লাহ ফুড এন্ড বেকারীর নেই বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউট (BSTI)-এর অনুমোদন, নেই খাদ্য অধিদপ্তরের অনুমোদনও। তবুও মালিক তাবারক হোসেন সম্প্রতি ইউনিয়নের বড়ইতলায় আরেকটি নতুন বেকারী স্থাপন করেছেন, যেটিও অনুমোদনহীন।
বেকারীর ভেতরের চিত্র আরও ভয়াবহ। নেই স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ, নেই সুরক্ষা ব্যবস্থা। শ্রমিকরা হাতমোজা ও হেয়ার ক্যাপ ছাড়াই খাবার তৈরি করছেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, এভাবে তৈরি পণ্য ভোক্তাদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
এ বিষয়ে বেকারীর বৈধতা সম্পর্কে জানতে চাইলে তাবারক হোসেনের ম্যানেজার কোনো তথ্য দিতে রাজি হননি এবং ক্যামেরা এড়িয়ে যান। স্থানীয়দের দাবি, অবিলম্বে অনুমোদনহীন এসব বেকারী বন্ধ করে ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা হোক। একইসঙ্গে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।