1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলে নবগঙ্গা সেতুর কাজ থমকে, দুই পাড়ের লক্ষাধিক মানুষের দুর্ভোগ চরমে তেরখাদায় দুর্গাপূজা ঘিরে পুলিশের মতবিনিময় সভা, আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা তেরখাদায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, সহনশীল দেশ গড়ার আহ্বান খুলনার জিরো পয়েন্টে বাসে তল্লাশি, ৬ কেজি ৫৯৭ গ্রাম আইস উদ্ধার সাজমীর হত্যা মামলায় এসআরবি-৬-এর অভিযানে দুই আসামি গ্রেপ্তার রূপসায় ইটভাটা ব্যবসায়ী ফখরুল হত্যা মামলার আসামি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার বড়দিয়া বাজার রক্ষায় উদ্যোগ, ভাঙন প্রতিরোধে শুরু হচ্ছে জরুরি কার্যক্রম খুলনার একাধিক হত্যা মামলার আসামি ওসমান পাবনায় গ্রেপ্তার সুন্দরবনে জলদস্যুদের আস্তানায় অভিযান, ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার বড়দিয়া বাজারে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন ইউএনওর, ১৬ ব্যবসায়ীকে সহায়তা ও জিওব্যাগ ফেলার নির্দেশ

খুলনায় আন্তর্জাতিক গুম দিবস পালিত

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৮৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক 

গুম হয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে মানবাধিকার সংগঠন অধিকার-এর উদ্যোগে খুলনায় আলোচনা ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। শনিবার (৩০ আগস্ট ২০২৫) সকালে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ব্যানার হাতে দাঁড়িয়ে এ কর্মসূচিতে আইনজীবী, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী, শিক্ষক ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশ নেন।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান গুমের ঘটনা মানবাধিকার ও আইনের শাসনের জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু গুম হওয়া ব্যক্তি নয়, তাদের পরিবারও অসহায়তার শিকার হচ্ছে। আন্তর্জাতিক দিবসের মতো দিনে সরকার ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীলতা নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেওয়া জরুরি।

অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার বলেন, “গুম একটি পরিবারকে শুধু নিঃস্বই করে না, এটি গোটা সমাজকে আতঙ্কের মধ্যে ফেলে দেয়। যারা আইনজীবী হিসেবে কাজ করি, আমরা প্রতিনিয়ত এমন পরিবারের আর্তনাদ শুনি। কিন্তু ন্যায়বিচার পাওয়া দূরে থাক, তদন্তই প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ধামাচাপা দেওয়া হয়। রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো নাগরিককে সুরক্ষা দেওয়া এবং প্রতিটি ঘটনার সঠিক তদন্ত করে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা।”

দৈনিক কালের কণ্ঠের সিনিয়র সাংবাদিক এইচ এম আলাউদ্দিন বলেন, “গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের বেদনা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। সংবাদমাধ্যম প্রায়ই এসব ঘটনা তুলে ধরলেও প্রত্যাশিত প্রতিকার পাওয়া যায় না। অথচ গণতান্ত্রিক সমাজে মতপ্রকাশ ও রাজনৈতিক ভিন্নমতকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য গুমকে হাতিয়ার করা এক ভয়াবহ সংকেত। সরকারকে মানবাধিকারের আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।”

বক্তারা আরও বলেন, জাতিসংঘ ২০১১ সাল থেকে প্রতি বছর ৩০ আগস্টকে ‘গুম হয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবস’ হিসেবে পালন করছে। বাংলাদেশেও এ দিবসের তাৎপর্য দিন দিন বাড়ছে, কারণ এখানে বহু পরিবার বছরের পর বছর তাদের প্রিয়জনকে ফিরে পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। গুমের শিকারদের স্মরণ করার পাশাপাশি রাষ্ট্রের কাছে ন্যায়বিচার দাবি করা এখন সময়ের প্রয়োজন।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া মানবাধিকারকর্মীরা বলেন, গুম শুধু রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের নয়, অনেক সময় সাধারণ নাগরিকও এর শিকার হচ্ছেন। এসব ঘটনায় ভুক্তভোগীদের পরিবার অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। এ অবস্থার পরিবর্তনে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদের যথাযথ বাস্তবায়ন জরুরি।

কর্মসূচিতে আইনজীবী, সাংবাদিক, শিক্ষক, মানবাধিকারকর্মী ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত থেকে গুমের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার অঙ্গীকার করেন।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park