
নিজস্ব প্রতিবেদক
সাপ্তাহিক খুলনার কণ্ঠ পত্রিকার মাল্টিমিডিয়া শাখার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় খুলনার দৌলতপুরে অবস্থিত আরহামা ক্যাফে রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড পার্টি সেন্টারে আয়োজন করা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নাগরিক নেতা, সাংবাদিক, লেখক, কবি, সংস্কৃতিকর্মী এবং তরুণ সংবাদকর্মীরা।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি নাগরিক নেতা অ্যাডভোকেট মো. বাবুল হাওলাদার বলেন, “একবিংশ শতাব্দীর সাংবাদিকতা এখন শুধু সংবাদ প্রকাশের মাধ্যম নয়; এটি দায়িত্ব, মানবিকতা এবং সমাজের সচেতনতার প্রতিফলন। সাংবাদিকতার মানে কেবল খবর দেওয়া নয়, বরং সমাজের সমস্যা, মানুষের কণ্ঠ ও স্থানীয় সংস্কৃতিকে তুলে ধরা। খুলনার কণ্ঠ পত্রিকা যেভাবে এই বিষয়গুলো তুলে ধরছে, তা খুলনার গণমাধ্যম অঙ্গনে এক ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে। মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে তারা আরও শক্তিশালী, গতিশীল ও জনবান্ধব হয়ে উঠেছে। এই উদ্যোগ শুধু সংবাদ পরিবেশন নয়, সমাজে সচেতনতা ও মানবিকতার বার্তাও ছড়িয়ে দেবে।”

উদ্বোধক কবি ও সাংবাদিক শেখ আবু আসলাম বাবু বলেন, “গণমাধ্যম শুধু তথ্য বা খবরের মাধ্যম নয়; এটি সমাজের চেতনা গড়ে তোলার শক্তিশালী হাতিয়ার। খুলনার কণ্ঠ মাল্টিমিডিয়া সেই চেতনার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। আমাদের স্থানীয় সংস্কৃতি, ভাষা, ইতিহাস এবং মানবিক গল্পগুলো আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে তুলে ধরা হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এই মাটির আসল ইতিহাস ও সংস্কৃতি জানতে পারবে। সাংবাদিকতার লক্ষ্য কেবল খবরে সীমাবদ্ধ নয়; এটি সমাজের দুর্বল, অবহেলিত ও প্রান্তিক অংশের কণ্ঠও তুলে ধরে। মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে খুলনার কণ্ঠ আরও প্রভাবশালী হয়ে সমাজের সচেতনতা বৃদ্ধিতে অবদান রাখবে।”

অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও জানান, মাল্টিমিডিয়া শাখার মাধ্যমে এখন থেকে ভিডিও রিপোর্ট, অনলাইন স্টোরি, সাক্ষাৎকার ও ডিজিটাল ফিচারের মাধ্যমে সংবাদ পরিবেশনে নতুন মাত্রা যোগ করা হবে। এটি খুলনার সাংবাদিকতাকে আরও পেশাদার, প্রাণবন্ত ও সমসাময়িক চ্যালেঞ্জের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ করবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিনিধি, লেখক, শিক্ষক ও সামাজিক সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষ হয় আত্মীয়তার মাধ্যমে, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা একে অপরের সঙ্গে পরিচিত হন, আলাপচারিতা করেন এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন।