
বাংলাদেশ আমার অহংকার এই স্লোগান নিয়ে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিভিন্ন ধরণের অপরাধীদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে জোড়ালো ভূমিকা পালন করে আসছে। র্যাব সৃষ্টিকাল থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ এর উৎস উদঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতারসহ আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। র্যাব-৭, চট্টগ্রাম অস্ত্রধারী সস্ত্রাসী, ডাকাত, ধর্ষক, দুর্ধর্ষ চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, খুনি, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী ও প্রতারকদের গ্রেফতার এবং বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক উদ্ধারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করায় সাধারণ জনগনের মনে আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
র্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি থানার মামলা নং-০৬, তারিখ ০৯ মে ২০২০ইং ধারা-৩০২/৩৪/১১৪ পেনাল কোড ১৮৬০ এর ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি নুরুল আমিন @ নুরু চট্টগ্রাম মহানগরীর ডবলমুরিং থানাধীন আগ্রাবাদ এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম এবং র্যাব-১১, নারায়ণগঞ্জ এর যৌথ আভিযানিক দল গত ২২ মার্চ ২০২৪ইং তারিখ আনুমানিক ২৩২০ ঘটিকায় বর্ণিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করে আসামি নুরুল আমিন @ নুরু (৪৮), পিতা-মৃত লোকমান হোসেন, সাং-নাটেশ্বর, থানা-সোনাইমুড়ি, জেলা-নোয়াখালী’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে সে বর্ণিত মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি মর্মে স্বীকার করে। গ্রেফতারকৃত আসামির তথ্য মতে চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতয়ালি থানাধীন সিআরবি এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে বর্ণিত মামলার অপর আসামি আপন ছোট ভাই শাহাব উদ্দীন (৪৪), পিতা-মৃত লোকমান হোসেন, সাং-নাটেশ্বর, থানা-সোনাইমুড়ি, জেলা-নোয়াখালী’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে সে বর্ণিত মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি মর্মে স্বীকার করে। জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা যায়, তারা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট হতে গ্রেফতার এড়াতে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে আসছিল।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের নিমিত্তে নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।