1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলে নবগঙ্গা সেতুর কাজ থমকে, দুই পাড়ের লক্ষাধিক মানুষের দুর্ভোগ চরমে তেরখাদায় দুর্গাপূজা ঘিরে পুলিশের মতবিনিময় সভা, আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা তেরখাদায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, সহনশীল দেশ গড়ার আহ্বান খুলনার জিরো পয়েন্টে বাসে তল্লাশি, ৬ কেজি ৫৯৭ গ্রাম আইস উদ্ধার সাজমীর হত্যা মামলায় এসআরবি-৬-এর অভিযানে দুই আসামি গ্রেপ্তার রূপসায় ইটভাটা ব্যবসায়ী ফখরুল হত্যা মামলার আসামি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার বড়দিয়া বাজার রক্ষায় উদ্যোগ, ভাঙন প্রতিরোধে শুরু হচ্ছে জরুরি কার্যক্রম খুলনার একাধিক হত্যা মামলার আসামি ওসমান পাবনায় গ্রেপ্তার সুন্দরবনে জলদস্যুদের আস্তানায় অভিযান, ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার বড়দিয়া বাজারে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন ইউএনওর, ১৬ ব্যবসায়ীকে সহায়তা ও জিওব্যাগ ফেলার নির্দেশ

একই পরিবারের তিন ভাই, তিনজনই মুক্তিযোদ্ধা: স্বাধীনতার ইতিহাসে এক বিরল গৌরবগাথা

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬
  • ১৫৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

নড়াইল প্রতিনিধি

মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অসংখ্য পরিবারের আত্মত্যাগের গল্প ছড়িয়ে আছে। তবে একই পরিবারের তিন সহোদর ভাই একসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন বাজি রেখেছেন—এমন ঘটনা সত্যিই বিরল। নড়াইলের কালিয়া উপজেলার ৯ নম্বর বাঐসোনা ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী বাঐসোনা গ্রামের প্রয়াত আব্দুল হামিদ মোল্যার তিন সন্তান ছিলেন সেই বিরল গৌরবের অধিকারী।

তাঁরা হলেন—প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোশারফ হোসেন (মোশা মোল্যা), প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিরাজুল ইসলাম মোল্যা (সুরুজ মোল্যা) এবং প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. চাঁদ মিয়া মোল্যা (চাঁন মোল্যা)। একই পিতার সন্তান, একই পরিবারের সদস্য হয়েও তাঁরা প্রত্যেকে স্বাধীনতার আহ্বানে সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন।

মুক্তিযুদ্ধের সেই ভয়াল সময়, যখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্যাতন, হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞে জনপদ পরিণত হয়েছিল আতঙ্কের জনপদে, তখন এই তিন ভাই মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য জীবনকে তুচ্ছ জ্ঞান করেন। গেরিলা অভিযান, সম্মুখসমর, গোপনে তথ্য আদান-প্রদান এবং আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতাসহ বিভিন্ন দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেন তাঁরা। স্বাধীনতার প্রশ্নে কখনোই তাঁরা পিছিয়ে যাননি।

পরিবারের সদস্যরা জানান, একই পরিবারের তিন ভাইয়ের একসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ শুধু তাঁদের পরিবারের নয়, গোটা এলাকার জন্য গর্বের বিষয়। তাঁদের সাহসিকতা, দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

সময়ের পরিক্রমায় তিন বীর মুক্তিযোদ্ধাই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন। তবে তাঁদের আত্মত্যাগ ও অবদান আজও পরিবারের সদস্য এবং এলাকাবাসীর কাছে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয়। পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁদের রূহের মাগফিরাত কামনা করে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা বলেন, “আমাদের স্বাধীনতার পেছনে যাঁদের রক্ত ও আত্মত্যাগ জড়িয়ে আছে, তাঁদের স্মৃতি সংরক্ষণ করা এবং নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁদের অবদান তুলে ধরা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমরা মহান আল্লাহর কাছে তাঁদের জান্নাতুল ফিরদাউস কামনা করি এবং সবার কাছে তাঁদের জন্য দোয়ার আবেদন জানাই।”

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে এই তিন সহোদর বীর মুক্তিযোদ্ধার আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেম ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park