1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কর্ম ও আদর্শে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন অধ্যক্ষ মোল্লা সাকায়েত হোসেন। নড়াইলে নবগঙ্গা সেতুর কাজ থমকে, দুই পাড়ের লক্ষাধিক মানুষের দুর্ভোগ চরমে তেরখাদায় দুর্গাপূজা ঘিরে পুলিশের মতবিনিময় সভা, আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা তেরখাদায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, সহনশীল দেশ গড়ার আহ্বান খুলনার জিরো পয়েন্টে বাসে তল্লাশি, ৬ কেজি ৫৯৭ গ্রাম আইস উদ্ধার সাজমীর হত্যা মামলায় এসআরবি-৬-এর অভিযানে দুই আসামি গ্রেপ্তার রূপসায় ইটভাটা ব্যবসায়ী ফখরুল হত্যা মামলার আসামি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার বড়দিয়া বাজার রক্ষায় উদ্যোগ, ভাঙন প্রতিরোধে শুরু হচ্ছে জরুরি কার্যক্রম খুলনার একাধিক হত্যা মামলার আসামি ওসমান পাবনায় গ্রেপ্তার সুন্দরবনে জলদস্যুদের আস্তানায় অভিযান, ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার

বৃষ্টিতে ভিজছে শিক্ষার্থী ও শিক্ষা উপকরণ, তেরখাদার আর বি আজগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ব্যাহত পাঠদান

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬
  • ১১৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

তেরখাদা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার তেরখাদা উপজেলার আর বি আজগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে অবকাঠামোগত সংকট, টিনের ছাদ চুইয়ে পানি পড়া, জলাবদ্ধতা ও শ্রেণিকক্ষের সংকটের কারণে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। সামান্য বৃষ্টিতেই শ্রেণিকক্ষে পানি ঢুকে শিক্ষার্থী, বই-খাতা ও শিক্ষা উপকরণ ভিজে যাচ্ছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের সেমিপাকা ভবনের টিনের ছাদে অসংখ্য ছিদ্র থাকায় বৃষ্টির সময় শ্রেণিকক্ষের ভেতরে অবিরাম পানি পড়ে। ফলে শিক্ষার্থীদের মাথায় পানি পড়ছে, বই-খাতা ও পোশাক ভিজে যাচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী ঠান্ডাজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অভিভাবকরা।

অভিভাবকদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে একই সমস্যা থাকলেও বিদ্যালয় ভবন সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশেই পাঠদান ও পাঠগ্রহণ চলছে।

বিদ্যালয় মাঠের অবস্থাও অত্যন্ত নাজুক। বৃষ্টির পানি জমে দীর্ঘসময় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কাদাপানি পেরিয়ে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে হয়। পিচ্ছিল মাঠে পড়ে গিয়ে অনেক শিক্ষার্থীর জামাকাপড়, বই-খাতা ও শিক্ষা উপকরণ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অফিস কক্ষের অবস্থাও ঝুঁকিপূর্ণ। ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ায় আতঙ্কের মধ্যেই সেখানে দায়িত্ব পালন করছেন শিক্ষকরা।

বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ২৫৭ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। প্রধান শিক্ষকসহ নয়জন শিক্ষক নিয়মিত পাঠদান করছেন। অবকাঠামোগত সংকট সত্ত্বেও বিদ্যালয়টির শিক্ষার মান সন্তোষজনক। চলতি বছর এ বিদ্যালয় থেকে তিনজন শিক্ষার্থী ট্যালেন্টপুলে এবং একজন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি অর্জন করে মধুপুর ক্লাস্টারে সেরা ফলাফল করেছে।

স্থানীয় সচেতন মহল ও অভিভাবকরা বিদ্যালয়ের টিনের ছাদ দ্রুত সংস্কার, নতুন ভবন নির্মাণ এবং মাঠের স্থায়ী পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের মতে, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত না হলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ও স্বাভাবিক বিকাশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এম. এম. মতিয়ার রহমান বলেন, বিদ্যালয়টিতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে। মাঠের কিছু উন্নয়ন করা হয়েছে। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য শিগগিরই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চাহিদাপত্র পাঠানো হবে। তিনি আরও জানান, তেরখাদা-খুলনা সড়কের পাশে অবস্থিত বিদ্যালয়টিতে সম্প্রতি সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে, ফলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা আগের তুলনায় বেড়েছে। বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের অনুমোদন দ্রুত পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

NGS/MMH

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park