1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলের কালিয়ায় ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কালিয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বর্ষ উদযাপন যশোরে অনলাইন বেটিংয়ে জড়িত ৮ জন গ্রেপ্তার মাস্টার প্যারেডে জেলা পুলিশের প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার খুলনায় আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিয়ে আইনমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা পহরডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান কাবুল বিশ্বাস হারানো সরকারি অস্ত্রের খোঁজে র‍্যাব, তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার নড়াইলের চরেরঘাটে ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ জন গ্রেপ্তার শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫ ‘ক্রসফায়ার’ নয়, আইনের পথেই সন্ত্রাস দমন: আইনমন্ত্রী

সেনা বাহিনীর নেতৃত্বে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে গত রাত থেকে মাঠে নেমেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৪৮৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

মহানগরসহ খুলনা জেলায় ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ইস্যু করা হয়েছিল ৬০৭টি। এর মধ্যে একনলা বন্দুক, দোনলা বন্দুক, পিস্তল, রাইফেল, শর্টগান, রিভলবার, এনপিবি পিস্তল ছিল। গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত ৬০৭টি বৈধ অস্ত্রের মধ্যে জমা পড়েছে ৩১২টি। এখনও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে জমা পড়েনি প্রায় তিনশ’ অস্ত্র। গুলি জমা পড়েনি প্রায় ৪ হাজার ৭৮১ রাউন্ড।

সেনা বাহিনীর নেতৃত্বে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে গত রাত থেকে মাঠে নেমেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গত ১৫ বছরে বেসামরিক জনগণকে দেয়া আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ২৫ আগস্ট স্থগিত করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। মঙ্গলবার শেষ হল সবধরনের লাইসেন্স করা ও লুট করা অস্ত্র জমা দেয়ার সময়সীমা। যারা পুলিশের লুণ্ঠিত অস্ত্র জমা দেবেন না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। পাশাপাশি মাদক নিয়ন্ত্রণে চোরাচালানে সম্পৃক্ত গডফাদারদেরও ধরা হবে।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সূত্র জানায়, গত সাড়ে ১৫ বছরে নগরীর আটটি থানায় মোট বৈধ অস্ত্র ইস্যু করা হয়েছিল ৩৬৫টি। এরমধ্যে খুলনায় থানায় ৪৯টি, সোনডাঙ্গা থানায় ২১৬টি, লবণচরা থানায় ১০টি, হরিণটানা থানায় ৫টি, খালিশপুর থানায় ৫৮টি, দৌলতপুর থানায় ১৪টি, আড়ংঘাটা থানায় ১০টি এবং খানজাহান আলী থানায় তিনটি। অস্ত্র জমা পড়েছে ১৩৭টি। এসব থানায় বৈধ গুলি ছিল ৭ হাজার ১৭১ রাউন্ড এবং গুলি জমা পড়েছে ৪ হাজার ৭২১ রাউন্ড।

অন্যদিকে, খুলনা জেলার দিঘলিয়া, রূপসা, তেরখাদা, ফুলতলা, ডুমুরিয়া, পাইকগাছা, কয়রা, দাকোপ এবং বটিয়াঘাটা থানায় মোট বৈধ অস্ত্র ২৪২টি এবং গুলি ৬ হাজার ৩৭৬ রাউন্ড। মঙ্গলবার সকাল ১০টা অবধি ১৭৫টি অস্ত্র এবং ৪ হাজার ৪৫ রাউন্ড গুলি জমা পড়েছে।

খুলনা জেলা পুলিশ সুপার মোঃ সাঈদুর রহমান জানান, মঙ্গলবার রাত ১২টার মধ্যে যে সব অস্ত্র এবং গোলা বারুদ সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দেয়া হবে না সেগুলোকে অবৈধ হিসেবে গণ্য করা হবে।

যৌথবাহিনীর অপারেশন : আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণে যৌথবাহিনীর অপারেশন শুরু হয়েছে বুধবার রাত ১২টা থেকে। এর আগে মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বৈঠক শেষে অন্তর্র্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবঃ) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আজকের (মঙ্গলবার) সভাটি ছিল আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম সভা। এ সভায় প্রধানত দেশের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে কথা হয়েছে। কীভাবে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করা যায় সেসব নিয়ে কথা হয়েছে। এ ব্যাপারে আমরা কিছু কিছু পদক্ষেপ নেবো।

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আজ (মঙ্গলবার) সব বৈধ এবং অবৈধ অস্ত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। আগামীকাল (বুধবার) রাত ১২টা থেকে আমাদের যৌথবাহিনীর অপারেশন শুরু হবে হাতিয়ার কালেকশনের জন্য। আমরা যেন অবৈধ অস্ত্রগুলো সংগ্রহ করতে পারি। আমি এ ব্যাপারে আপনাদের সহযোগিতা চাই।

উপদেষ্টা বলেন, মাদক আমাদের বড় সমস্যা। আমরা কীভাবে এটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারি সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। মাদক নিয়ন্ত্রণ আমাদের জন্য খুবই জরুরি। আমরা কিছু পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছি। মাদকের গডফাদারদের আইনের আওতায় আনার জন্য কাজ করছি।

আসন্ন দুর্গাপূজা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আসন্ন দুর্গাপূজা নিয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে। পূজা যেন ঠিকভাবে হতে পারে সে বিষয়ে আমরা পদক্ষেপ নিচ্ছি। আমরা আশা করছি পূজাটা খুব ভালোভাবে শেষ হবে। কোথাও কোনো সমস্যা হবে না।

 

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park