1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলের কালিয়ায় ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কালিয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বর্ষ উদযাপন যশোরে অনলাইন বেটিংয়ে জড়িত ৮ জন গ্রেপ্তার মাস্টার প্যারেডে জেলা পুলিশের প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার খুলনায় আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিয়ে আইনমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা পহরডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান কাবুল বিশ্বাস হারানো সরকারি অস্ত্রের খোঁজে র‍্যাব, তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার নড়াইলের চরেরঘাটে ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ জন গ্রেপ্তার শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫ ‘ক্রসফায়ার’ নয়, আইনের পথেই সন্ত্রাস দমন: আইনমন্ত্রী

রামপালে বোরো আবাদে বাম্পার ফলন চাল উৎপাদনে সয়ংসম্পূর্ণতার দ্বারপ্রান্তে উপজেলা

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১০১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

হারুন শেখ, বাগেরহাট

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় প্রতিকূলতা ও লবণাক্ত পরিবেশ উপেক্ষা করে চলতি মৌসুমে বোরো ধানে বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, অনুকূল আবহাওয়া এবং সরকারি প্রণোদনার ফলে কৃষকদের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে চাল উৎপাদনে সয়ংসম্পূর্ণতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে এ উপজেলা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের বোরো মৌসুমে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে মোট ৪ হাজার ৮২০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে হাইব্রিড জাতের ধান আবাদ হয়েছে ৩ হাজার ৯৭০ হেক্টর জমিতে এবং উফশী জাতের ধান ৮৫০ হেক্টর জমিতে। এতে মোট চাল উৎপাদন হয়েছে ২২ হাজার ৬৮৩ মেট্রিক টন।

অন্যদিকে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আমন মৌসুমে ৮ হাজার ৪১৫ হেক্টর জমিতে ধানের আবাদ হয়েছিল। এর মধ্যে হাইব্রিড জাতের ধান ৮১০ হেক্টর, উফশী জাতের ৬ হাজার ৩১০ হেক্টর এবং স্থানীয় জাতের ধান আবাদ হয়েছিল ১ হাজার ২৯৫ হেক্টর জমিতে। এতে উৎপাদিত চালের পরিমাণ ২৪ হাজার ৪০৩ মেট্রিক টন।

এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রামপাল উপজেলার ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জনসংখ্যা ১ লক্ষ ৮৮ হাজার ৩৭৪ জন। এই জনসংখ্যার বছরে চালের প্রয়োজন ৩৬ হাজার ৮৭০ মেট্রিক টন। অথচ চলতি বোরো ও আমন মিলিয়ে উৎপাদন হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৭৯ মেট্রিক টন চাল। অর্থাৎ চালের ঘাটতি রয়েছে মাত্র ২ হাজার ৩৯১ মেট্রিক টন।

স্থানীয় কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বিগত দশকে রামপাল ছিল খাদ্য ঘাটতির উপজেলা। বর্তমানে সেচ সুবিধা, মাঠ পর্যায়ে পরামর্শ, লবণ সহিষ্ণু জাতের বীজ ও সার প্রদান, এবং সময়মতো রোগবালাই নিয়ন্ত্রণের ফলে খাদ্য উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

রামপাল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ওয়ালিউল ইসলাম বলেন, “আমরা চাই রামপাল খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হোক। পতিত জমিগুলো কাজে লাগিয়ে এবং মিষ্টি পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করে দ্বিগুণ উৎপাদন সম্ভব। এ লক্ষ্যে একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার প্রয়োজন রয়েছে।” তিনি আরও জানান, উপজেলা কৃষি বিভাগ কৃষকদের সহযোগিতায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park