1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলে নবগঙ্গা সেতুর কাজ থমকে, দুই পাড়ের লক্ষাধিক মানুষের দুর্ভোগ চরমে তেরখাদায় দুর্গাপূজা ঘিরে পুলিশের মতবিনিময় সভা, আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা তেরখাদায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, সহনশীল দেশ গড়ার আহ্বান খুলনার জিরো পয়েন্টে বাসে তল্লাশি, ৬ কেজি ৫৯৭ গ্রাম আইস উদ্ধার সাজমীর হত্যা মামলায় এসআরবি-৬-এর অভিযানে দুই আসামি গ্রেপ্তার রূপসায় ইটভাটা ব্যবসায়ী ফখরুল হত্যা মামলার আসামি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার বড়দিয়া বাজার রক্ষায় উদ্যোগ, ভাঙন প্রতিরোধে শুরু হচ্ছে জরুরি কার্যক্রম খুলনার একাধিক হত্যা মামলার আসামি ওসমান পাবনায় গ্রেপ্তার সুন্দরবনে জলদস্যুদের আস্তানায় অভিযান, ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার বড়দিয়া বাজারে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন ইউএনওর, ১৬ ব্যবসায়ীকে সহায়তা ও জিওব্যাগ ফেলার নির্দেশ

ডুমুরিয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে উপকারী জলজ প্রাণী শামুক

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৭৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা):

খুলনার ডুমুরিয়াসহ বিভিন্ন উপজেলার খাল-বিল ও জলাশয়ে দ্রুত হারে কমে যাচ্ছে পরিবেশবান্ধব জলজ প্রাণী শামুক। নির্বিচারে আহরণ, অতিমাত্রায় কীটনাশকের ব্যবহার ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই প্রাণী বিলুপ্তির পথে।

এক সময় জলাশয়ে প্রচুর শামুক দেখা গেলেও এখন তা খুবই দুর্লভ। বিশেষজ্ঞদের মতে, শামুক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তারা ক্ষতিকারক পোকামাকড় ও তাদের ডিম খেয়ে জলজ পরিবেশকে সুস্থ রাখে, মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে এবং ফসল উৎপাদনে সহায়তা করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৎস্যচাষিরা মাছের খাবার হিসেবে শামুক ব্যবহার করছেন। এ কারণে শামুক সংগ্রহ করে অনেকেই ব্যবসা করছেন। ডুমুরিয়ার কৃষক আব্দুল হালিম বলেন, “আমরা ৩০ টাকা কেজি দরে শামুক কিনে মাছ খাওয়াতাম। কিন্তু এখন বুঝেছি এতে জীবাণু মাছের শরীরে যেতে পারে।” অপর এক চাষি মনোজ্ঞ কুমার জানান, “মৎস্য অফিস থেকে প্রশিক্ষণ পেয়ে আমরা শামুক ব্যবহার বন্ধ করেছি।”

তবে অনেক পরিবার এখনও জীবিকা নির্বাহের জন্য শামুক সংগ্রহ করছে। নুমিতা নামের এক নারী জানান, “বর্ষায় প্রতিদিন বিল থেকে শামুক সংগ্রহ করে বিক্রি করলে ৪০০–৫০০ টাকা আয় হয়।” একইভাবে এক দিনমজুর বলেন, “শামুক বিক্রি করে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ টাকা উপার্জন করি।”

ডুমুরিয়া উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মো. জিল্লুর রহমান রিগান বলেন, “শামুক মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার না করতে চাষিদের উদ্বুদ্ধ করছি। কারণ এতে মাছের শরীরে রোগ জীবাণু ছড়ায়, পানির মান নষ্ট হয় এবং রপ্তানিতেও সমস্যা হয়। শামুক আসলে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে। তবে শামুক বন আইনের অধীনে থাকায় আমরা মূলত সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালাই।”

বিশেষজ্ঞদের মত, শামুক সংরক্ষণে প্রশাসনিক নজরদারি ও জনগণের সচেতনতা জরুরি, নইলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাকারী এই উপকারী প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park