1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আমাদের জন্য একটি সতর্কবার্তা যশোরে ৯০ বোতল উইনকারেক্সসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কালিয়ার টোনা ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায় পাস করেনি কেউ, ক্ষুব্ধ অভিভাবকেরা বটিয়াঘাটায় রফিকের খামারে অস্ত্রের ৬ ম্যাগাজিন, গুলি ও রামদা উদ্ধার তেরখাদায় জাতীয় যুব দিবস উদযাপন, প্রশিক্ষিত যুবকদের মাঝে ঋণের চেক বিতরণ কালিয়ায় যুব দিবসের র‍্যালি-আলোচনা, তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান নড়াগাতীতে তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার খুলনায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দাওয়াতি মাসের কার্যক্রম উদ্বোধন স্বামীর সংসারে ফেরার দাবিতে শ্বশুরবাড়িতে গৃহবধূর দিনভর অনশন খুলনা বিভাগে প্রথম হয়ে জাতীয় পর্যায়ে যাচ্ছে নড়াগাতীর সুমাইয়া, সংবর্ধনা দিলেন ইউএনও

কালিয়ায় এইচএসসির ফলাফলে হতাশাজনক চিত্র, পাঁচ কলেজে পাসের হার ২৮ শতাংশ

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৫৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

মোঃ জিহাদুল ইসলাম, কালিয়া (নড়াইল):

নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে হতাশাজনক চিত্র দেখা গেছে। উপজেলার পাঁচটি কলেজের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, কোনো কলেজেই পাসের হার ৩৩ শতাংশের বেশি নয়। সব মিলিয়ে ৯১৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন মাত্র ২৬১ জন। সে হিসাবে পাঁচ কলেজে গড় পাসের হার ২৮ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সরকারি শহীদ আবদুস সালাম ডিগ্রি কলেজে ২৭৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৭২ জন। মুন্সী মানিক মিয়া কলেজে ২৮৭ জনের মধ্যে ৮৭ জন, হাবিবুল আলম বীরপ্রতিক কলেজে ১৬৬ জনের মধ্যে ৪৯ জন, মনোরঞ্জন কাপুড়িয়া কলেজে ১১৫ জনের মধ্যে ৩৭ জন এবং নড়াগাতী কলেজে ৭৭ জনের মধ্যে পাস করেছেন মাত্র ১৬ জন।

পাসের হারের দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে মনোরঞ্জন কাপুড়িয়া কলেজ। এ কলেজে পাসের হার ৩২ দশমিক ১৭ শতাংশ। এরপর রয়েছে মুন্সী মানিক মিয়া কলেজে ৩০ দশমিক ৩১ শতাংশ, হাবিবুল আলম বীরপ্রতিক কলেজে ২৯ দশমিক ৫২ শতাংশ, সরকারি শহীদ আবদুস সালাম ডিগ্রি কলেজে ২৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ এবং নড়াগাতী কলেজে ২০ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

পাঁচটি কলেজের মধ্যে নড়াগাতী কলেজে পাসের হার সবচেয়ে কম। অন্যদিকে হাবিবুল আলম বীরপ্রতিক কলেজ, মনোরঞ্জন কাপুড়িয়া কলেজ ও নড়াগাতী কলেজ থেকে কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারেননি।

ফলাফলের এ চিত্রে উপজেলার শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। শিক্ষার মানোন্নয়ন, পাঠদানে আরও মনোযোগ এবং পরীক্ষার প্রস্তুতিতে শিক্ষার্থীদের যথাযথ সহযোগিতা নিশ্চিত করার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park