1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলে নবগঙ্গা সেতুর কাজ থমকে, দুই পাড়ের লক্ষাধিক মানুষের দুর্ভোগ চরমে তেরখাদায় দুর্গাপূজা ঘিরে পুলিশের মতবিনিময় সভা, আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা তেরখাদায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, সহনশীল দেশ গড়ার আহ্বান খুলনার জিরো পয়েন্টে বাসে তল্লাশি, ৬ কেজি ৫৯৭ গ্রাম আইস উদ্ধার সাজমীর হত্যা মামলায় এসআরবি-৬-এর অভিযানে দুই আসামি গ্রেপ্তার রূপসায় ইটভাটা ব্যবসায়ী ফখরুল হত্যা মামলার আসামি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার বড়দিয়া বাজার রক্ষায় উদ্যোগ, ভাঙন প্রতিরোধে শুরু হচ্ছে জরুরি কার্যক্রম খুলনার একাধিক হত্যা মামলার আসামি ওসমান পাবনায় গ্রেপ্তার সুন্দরবনে জলদস্যুদের আস্তানায় অভিযান, ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার বড়দিয়া বাজারে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন ইউএনওর, ১৬ ব্যবসায়ীকে সহায়তা ও জিওব্যাগ ফেলার নির্দেশ

দিঘলিয়ায় আলোক ফাঁদে পোকা দমন, কমছে খরচ—লাভের মুখে কৃষক

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৪৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

দিঘলিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় বোরো মৌসুমে ধানক্ষেতে ক্ষতিকর পোকা দমনে পরিবেশবান্ধব ‘আলোক ফাঁদ’ পদ্ধতির ব্যবহার বাড়ছে। কৃষি বিভাগের উদ্যোগে এ পদ্ধতির সুফল পেতে শুরু করেছেন কৃষকরা। এতে কমছে কীটনাশকের ব্যবহার, হ্রাস পাচ্ছে উৎপাদন খরচ, বাড়ছে লাভ।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫–২৬ অর্থবছরের রবি মৌসুমে দিঘলিয়ার ৬টি ইউনিয়নের ১৮টি ব্লকে একযোগে আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর এসব ফাঁদ স্থাপনের সময় কৃষি কর্মকর্তা, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তাসহ স্থানীয় কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।

চলতি মৌসুমে উপজেলায় মোট ৪ হাজার ৮৭৬ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কপিল দেব বসাক জানান, ধান বর্তমানে ফুল, দুধ ও দানা—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ অতিক্রম করছে এবং সার্বিকভাবে ফসলের অবস্থা সন্তোষজনক।

এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সেনহাটি ইউনিয়নের বাঁশেরহাট কুন্ডুপাড়া মাঠে আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হয়। মাঠ পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ফাঁদে তেমন ক্ষতিকর পোকামাকড় ধরা পড়েনি, যা ধানের জন্য ইতিবাচক লক্ষণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন সবুজ ধানের সমারোহ। কৃষকরা বিষের বিকল্প হিসেবে আলোক ফাঁদ ব্যবহার করে পোকা শনাক্ত ও দমন করছেন। ক্ষেতের আইলে পানিভর্তি পাত্রে আলোর উৎস স্থাপন করে ক্ষতিকর পোকা আকৃষ্ট করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে পোকামাকড়ের উপস্থিতি ও মাত্রা নির্ধারণ করে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারছেন তারা।

স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য, এ পদ্ধতিতে ধানের প্রধান ক্ষতিকর পোকা—কারেন্ট, মাজরা, গান্ধি পোকা, চুঙ্গি পোকা ও বাদামী ঘাসফড়িং—নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ফল মিলছে। একই সঙ্গে কীটনাশকের ওপর নির্ভরশীলতা কমে পরিবেশও সুরক্ষিত থাকছে।

গোয়ালপাড়া গ্রামের কৃষক আব্দুল কাইউম বলেন, কৃষি বিভাগের পরামর্শে আলোক ফাঁদ ব্যবহার করে সহজেই পোকা দমন করা যাচ্ছে। এতে খরচ কমছে এবং ভালো ফলনের আশা করছেন তারা।

কৃষি অফিস জানায়, খুলনা জেলার মোট ৬১টি ব্লকে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কিশোর আহমেদ বলেন, আলোক ফাঁদ একটি সহজ, সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি। কৃষকদের মাঝে এটি ছড়িয়ে দিতে নিয়মিত সভা ও উঠান বৈঠক করা হচ্ছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ উদ্যোগের ফলে চলতি মৌসুমে দিঘলিয়ায় বোরো ধানের ভালো ফলন হবে এবং কৃষকরা আরও বেশি লাভবান হবেন।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park