
নিজস্ব প্রতিবেদক
নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) অধিগ্রহণ করা জমিতে থাকা একটি বড় গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বাসিন্দা লাভলু শেখের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কর্তনকৃত গাছ জব্দ করেছে প্রশাসন।
সম্প্রতি উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়নের মাধবপাশা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে গাছটির মালিকানা ও জমির সীমানা নির্ধারণকে কেন্দ্র করে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে।
জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয়দের মাধ্যমে তারা খবর পান, পাউবোর অধিগ্রহণ করা জমিতে থাকা একটি বড় গাছ কেটে বিক্রি করা হয়েছে। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সেখানে গিয়ে গাছটির অবস্থান পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধিগ্রহণ করা জমি ও লাভলু শেখের বাড়ির মধ্যবর্তী সীমানা আইলে দেখতে পান। তবে গাছটির অধিকাংশ অংশ পাউবোর জমির মধ্যে পড়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের এক কর্মকর্তা জানান, গাছটির অবস্থান ও জমির সীমানা যাচাই করে সেটি সরকারি সম্পত্তির আওতায় নেওয়ার চেষ্টা চলছে। গাছটি তাদের আয়ত্তে এলে বিধি অনুযায়ী টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
অন্যদিকে, গাছটির মালিকানা দাবি করে লাভলু শেখ বলেন, “গাছটি আমার। এটি বাড়ির সীমানায় পড়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজন জমি জরিপ করে গেছেন। বিষয়টি নিয়ে আমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধান করব।”
এ ঘটনায় গাছটির প্রকৃত মালিকানা ও অবস্থান নির্ধারণে জমির সীমানা যথাযথভাবে জরিপ করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সরকারি জমির সম্পদ রক্ষায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তবে গাছটির মালিকানা ও কর্তনের বৈধতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে জমির সীমানা নির্ধারণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাইয়ের ওপর।