1. admin@naragatirsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়া প্যারী শংকর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত সাভার সিএমএইচে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেনাসদস্য সৈনিক মাসুম বিল্লাহর মৃত্যু ! মাত্র ২২ বছর বয়সেই চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের ঘোষণা, জয়নগর ইউনিয়নে শুরু হয়েছে আলোচনা সমালোচনা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খুলনা ২২ নম্বর ওয়ার্ড সম্মেলন  নড়াইলে ৫ বছরের শিশু জান্নাতুলকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড সরিফপুর ত্রিমোহনা শ্মশানে জাগ্রত মা মনসা পূজা অনুষ্ঠিত নড়াইলের কালিয়ায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬-এর উদ্বোধন বারবার নির্বাচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী পার্পিয়া, আবারও নির্বাচনী মাঠে তেরখাদায় খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া তেরখাদায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উদ্বোধন

শ্বশুরবাড়ি থেকে নিখোঁজের এক মাস পর কমিউনিটি ক্লিনিকের সেফটি ট্যাংক থেকে গৃহবধূর গলিত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক

নড়াগাতীর সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ২৭৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

শেখ ফসিয়ার রহমান নড়াইল

নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় শ্বশুরবাড়ি থেকে নিখোঁজ হওয়ার এক মাসের বেশি সময় পর এক গৃহবধূর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত গৃহবধূর নাম সুমি ওরফে আলপনা (৩৫)। তিনি কালিয়া উপজেলার বাবরা হাচলা ইউনিয়নের শুক্ত গ্রামের পূর্বপাড়ার বাসিন্দা আল আমিন মণ্ডল ওরফে ইরানুর স্ত্রী।

পুলিশ জানায়, গত ১৯ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ১০টার পর সুমি শ্বশুরবাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কালিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। দীর্ঘদিনেও তার সন্ধান না মেলায় পুলিশ ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করে।

তদন্তের এক পর্যায়ে সুমির স্বামী আল আমিন মণ্ডল ওরফে ইরানুর গতিবিধি ও বক্তব্যে অসংগতি ধরা পড়ে। সন্দেহের ভিত্তিতে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেন বলে জানায় পুলিশ। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, তিনি সুমিকে হত্যার পর শুক্ত গ্রামের কমিউনিটি ক্লিনিকের একটি সেফটি ট্যাংকের ভেতরে মরদেহ লুকিয়ে রাখেন।

পুলিশের একটি বিশেষ দল এবং কালিয়া থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে ২৭ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ৯টা ৪৫ মিনিটে ওই সেফটি ট্যাংক থেকে সুমির গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন কালিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রবিন হালদার এবং কালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইদ্রিস আলী।

কালিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রবিন হালদার বলেন, “প্রাথমিকভাবে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।”

কালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইদ্রিস আলী বলেন, “নিখোঁজের জিডির সূত্র ধরেই তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হয়। সন্দেহভাজন হিসেবে স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদে তার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

ঘটনার পর শুক্ত গ্রাম ও আশপাশের এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকার পর এমনভাবে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তারা মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ। তারা দোষীর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এলাকাবাসীর একাংশের অভিযোগ, শুরু থেকেই ঘটনার দ্রুত ও গভীর তদন্ত হলে হয়তো আগেই রহস্য উদ্ঘাটন সম্ভব হতো।

পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর হত্যার প্রকৃত কারণ ও ধরন সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ নড়াগাতীর সংবাদ।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park