
কুয়েট প্রতিনিধি:
দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথমবারের মতো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড সাইবার সিকিউরিটি (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সাইবার নিরাপত্তা) বিভাগ চালু করতে যাচ্ছে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রমে নতুন এ বিভাগে ৪০ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পাবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে বিভাগটির সংক্ষিপ্ত নাম রাখা হয়েছে ‘এআইসিএস’।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রকাশিত ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে নতুন বিভাগ চালুর বিষয়টি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে কুয়েটের স্নাতক প্রথম বর্ষে মোট আসনসংখ্যা ১ হাজার ১০৫টি। এর মধ্যে নতুন এ বিভাগের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪০টি আসন।
বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সাইবার নিরাপত্তার গুরুত্ব এবং ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। শিক্ষা, গবেষণা, শিল্প, সফটওয়্যার উন্নয়ন, তথ্যপ্রযুক্তি ও তথ্য সুরক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ দুটি বিষয়ের প্রয়োগ বিস্তৃত হচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে কুয়েটে সমন্বিত এ বিভাগ চালুর উদ্যোগকে উচ্চশিক্ষা ও দক্ষ প্রযুক্তিনির্ভর জনশক্তি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন শুরু হবে আগামী ১০ নভেম্বর সকাল ১০টায়। আবেদন ও ভর্তি পরীক্ষার ফি জমা দেওয়ার শেষ সময় ১০ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা। ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে ২০ ডিসেম্বর।
ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২০২৭ সালের ৮ জানুয়ারি। সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত তিন ঘণ্টার এ পরীক্ষা খুলনা, ঢাকা ও রাজশাহী কেন্দ্রে একযোগে নেওয়া হবে। পরীক্ষায় প্রাপ্ত মেধাক্রমের ভিত্তিতে পরবর্তী ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীদের ২০২৩ অথবা ২০২৪ সালের মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৪.০০ পেয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। পাশাপাশি ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। এ ছাড়া ২০২৫ সালের নভেম্বর বা তার পরবর্তী সময়ে এ-লেভেল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরাও আবেদনের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
প্রার্থীদের উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও ইংরেজি—এই চার বিষয়ে মোট জিপিএ কমপক্ষে ১৬.০০ থাকতে হবে। ভর্তি পরীক্ষায় এ চার বিষয়ে ১০০টি বহুনির্বাচনী প্রশ্নের জন্য মোট ৫০০ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।