
নিজস্ব প্রতিনিধি (কামরুন তানিয়া)
মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান এইড অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন্টারন্যাশনাল (নিক নেম: হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল)–এর প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব সেহলী পারভীন সুপ্রিম কোর্টের রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, “সত্যের জয় হয়েছে।”
এক বিবৃতিতে সেহলী পারভীন বলেন, তিনি গত নয় বছর ধরে সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সংস্থাটির নিক নেম ‘হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল’।
তিনি দাবি করেন, কিছু স্বার্থান্বেষী ব্যক্তির লোভ ও ষড়যন্ত্রের কারণে সংস্থার মহাসচিব পদ নিয়ে বারবার বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। তবে তিনি কখনো কাউকে ব্যক্তিগতভাবে অভিযুক্ত করার চেষ্টা করেননি। তাঁর ভাষায়, “মানবাধিকার কী এবং কেন এই কাজ করতে হবে—তা তাদের অনেককেই আমি শিখিয়েছি।”
সেহলী পারভীন জানান, মানবাধিকার খাতে তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা প্রায় ২০ বছরের। তিনি বলেন, ২০১৪ সালে সংস্থাটির নাম জয়েন্ট স্টক থেকে সংরক্ষণ করা হয় এবং ২০১৬ সালে নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ২০১৮ সালে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)-এর ছাড়পত্র এবং রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস-এর নিবন্ধন (নিবন্ধন নম্বর: S-12847) সম্পন্ন হওয়ার মাধ্যমে সংস্থাটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।
তিনি আরও বলেন, সংস্থার সহকারী মহাসচিব অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন দায়ের করা মামলায় হাইকোর্ট বিভাগের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সংস্থার সূচনালগ্ন থেকেই তিনি মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ প্রসঙ্গে সেহলী পারভীন বলেন, কিছু ব্যক্তি তাঁর স্বাক্ষর জাল করে তাঁকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন বলে দাবি করে নিজেদের মহাসচিব হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছেন। তবে সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদনে তিনি প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব এবং তিনি কখনো পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করেননি বলে উল্লেখ রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
সেহলী পারভীন বলেন, “আমি প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি এবং এখনো করছি। ভবিষ্যতে এ বিষয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসবে।”
এদিকে, সুপ্রিম কোর্টের এই রায়কে সেহলী পারভীনের সমর্থক ও সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীরা সংস্থাটির আইনি বৈধতা ও সাংগঠনিক স্বচ্ছতার পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
NGS/MMH